ওমিক্রণের নতুন দুই ভেরিয়েন্ট করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা কবজ ভেঙে দিতে সক্ষম, বিশ্বজুড়ে ফের নতুন ঢেউ এর আশঙ্খা :

0 87

- Advertisement -

ওয়েব ডেস্ক, ০১ মে :- করোনা নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীদের নতুন তথ্য প্রকাশিত হল ব্লুমবার্গে৷ সারা বিশ্ব জুড়েই করোনার নতুন কেস বাড়ছে৷ হঠাৎ করোনা বৃদ্ধির মধ্যে, নতুন ওমিক্রন সাবস্ট্রেনগুলির সংক্রমণ ক্ষমতা ও অ্যান্টিবডির সুরক্ষা বলয় ভেঙে সংক্রমিত করার বিষয়টি সামনে এসেছে৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন এই নতুন ওমিক্রন স্ট্রেনগুলি পূর্বের সংক্রমণ এবং ভ্যাকসিন এবং প্রাকৃতিক উপায়ে পাওয়া অনাক্রম্যতা এড়াতে সক্ষম।

 

 

 

 

 

- Advertisement -

আফ্রিকার একটি গবেষণা সংস্থার জিন সিকোয়েন্সিং ইউনিটের প্রধান এই নতুন স্ট্রেনগুলির উপর একটি সমীক্ষ করেছেন বলে জানিয়েছেন। নতুন ওমিক্রন স্ট্রেনগুলি পূর্বের সংক্রমণ এবং টিকা থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডি এড়াতে সক্ষমতা দেখায়। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি পরীক্ষাগারে গবেষণায় এই তথ্য জানা গিয়েছে৷ অনুসন্ধানগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় সম্প্রতি আবিষ্কৃত ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের বিএ.৪ এবং বিএ.৫ সাবস্ট্রেনের কথা বলা হয়েছে এবং আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ওমিক্রনের এই সাবস্ট্রেনগুলি বিশ্বজুড়ে আরও একটি নতুন তরঙ্গের তৈরি করে দিতে পারে।

 

 

 

দক্ষিণ আফ্রিকার আফ্রিকা হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বে করা এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মূল ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে সংক্রামিত লোকদের রক্তের নমুনা বিএ.৪ এবং বিএ.৫ স্ট্রেনের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সময় অ্যান্টিবডির কার্যক্ষমতা প্রায় আটগুণ হ্রাস পেয়েছে। সমীক্ষা অনুসারে, যাদের টিকা দেওয়া হয়েছিল তাদের নমুনাগুলিও প্রায় তিনগুণ হ্রাস পেয়েছে। বিএ.৪ এবং বিএ.৫ এর জন্য অ্যান্টিবডির তৈরি প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। বিশেষ করে টিকাবিহীন গ্রুপে এই নতুন স্ট্রেনের সংক্রমণ লক্ষণীয়ভাবে কম৷ গবেষকরা বলছেন এর ফলে একটি নতুন একটি করোনা সংক্রমণ তরঙ্গ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

 

 

 

ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা সংক্রমণের একটি নতুন ঢেউ এসেছে। যেটি প্রথম আফ্রিকা এবং প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাব ফেলছে৷ যদিও বিএ.৪ এবং ৫ নামের এই নতুন ওমিক্রন স্ট্রেনটি আফ্রিকাতেই পাওয়া গিয়েছে৷ গবেষণায় ২৪ জন রোগীর শরীর থেকে নেওয়া নমুনা ব্যবহার করা হয়েছে যারা ওমিক্রনে সংক্রামিত হয়েছিলেন কিন্তু এখনও টিকা নেননি। অন্যদিকে ১৫টি টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তির শরীর থেকে সংগ্রহ করা নমুনার বিরুদ্ধেও এই একই পরীক্ষা করা হয়েছে৷ যাদের মধ্যে আটজন ফাইজারের টিকা নিয়েছিল এবং সাতজন জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন পেয়েছিলেন। আফ্রিকার হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরি, ডারবানে অ্যালেক্স সিগালের নেতৃত্বে, রক্তের নমুনাগুলির উপর মূল এবং নতুন দু’ধরনের করোনা স্ট্রেনেরই পরীক্ষা করে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.