হঠাৎই ইস্তফা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জল্পনা তুঙ্গে, বিজেপিকে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের

0 58

- Advertisement -

ওয়েব নিউজ,১৪মে: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বিপ্লব দেব। শনিবার দুপুরে ত্রিপুরার রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা পত্র জমা দিয়েছেন তিনি।হঠাৎ কেন ইস্তফার সিদ্ধান্ত তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ সম্পর্কিত কোন মন্তব্য তিনি করেননি। শুধুমাত্র রাজ্যপাল কে অনুরোধ করেছেন ইস্তফা গ্রহণ করার। তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে অনুযায়ী তিনি এতদিন কাজ করেছেন। এবার দল তাকে সংগঠনের কাজে লাগাতে চায়।

- Advertisement -

২০২৩ এর নির্বাচনের জন্য সংগঠনের শক্তি বাড়াতে চাইছে দল। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারে থাকার জন্য সংগঠনের শক্তি বাড়ানো দরকার। সংগঠন শক্তিশালী হলেই সরকার টিকে থাকবে। তাঁকে সংগঠনের কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। অপরদিকে শিবির সূত্রের খবর অনেকদিন ধরেই বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে।

গতকালই কেন্দ্রে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন বিপ্লব দেব। তারপর রাতারাতি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব সহ তিনি ত্রিপুরায় পৌঁছান। খবর পাওয়া গেছে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে সুদীপ রায় বর্মন সহ কয়েকজন বিধায়ক দল ত্যাগ করেছে।শনিবার হয়তো ঘোষণা হতে পারে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর মুখের। তবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক এর নাম সবার প্রথমে রয়েছে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করছেন উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মাও।

তবে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপির অন্তরগোষ্ঠী দ্বন্দ্বের শিকার হলেন বিপ্লব। ত্রিপুরার মানুষ বঞ্চিত হচ্ছিল বলে এতদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিল তৃণমূল কংগ্রেস,আজ বিপ্লবের ইস্তফায় সেটি প্রমাণিত হলো। বিপ্লবের ইস্তফা প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, বিজেপির অভ্যন্তরীণ চূড়ান্ত পরিণতি এটা। ত্রিপুরার মানুষ ত্রিপুরার উন্নয়নের এর সাথে কোন সম্পর্ক নেই। পুরোটা বিজেপির অন্দরের ক্ষমতার খেলা। কুনাল আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বলেন,যারা একজন মুখ্যমন্ত্রী মেয়াদ শেষ করাতে পারেন না তারা কি করে মানুষের কাছে যাবে। এই সরকার এবং সরকারের মাথারা যে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না,সেটাই এবার প্রমাণিত হয়ে গেল।

Leave A Reply

Your email address will not be published.