মাটি মাফিয়া রুখতে আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূল গোষ্ঠী কোন্দল, অভিযোগের তীরে বিদ্ধ স্থানীয় পুলিশ

0 54

- Advertisement -

মালদা, ১৯ এপ্রিল: বালি এবং মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে আঁতাত রয়েছে রতুয়া থানার আইসি’র; কিছুদিন আগে এমনই অভিযোগ করেছিলেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখার্জী । আর বিধায়কের এই অভিযোগকে প্রহসন বলে পাল্টা দাবি করেছে রতুয়ার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ফজরুল হক । তাঁর বক্তব্য , বয়স জনিত কারণে বিধায়ক সমর মুখার্জির মাথা বিগরে গিয়েছে। বরঞ্চ তিনি এতদিন মাটিও বালি মাফিয়াদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভাগের টাকা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে এখন পুলিশের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন।রতুয়া থানার আইসি সুবীর কর্মকার একজন দক্ষ অফিসার। তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলাটা মোটেই সঠিক নয়।

- Advertisement -

রতুয়ায় পুলিশকে ঘিরে এই বিতর্ক নিয়ে এখন তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। মঙ্গলবার সকালে রতুয়া থানার আইসি সুবীর কর্মকারের সঙ্গে দেখা করেন সংশ্লিষ্ট ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ফজরুল হক সহ দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। আইসি এবং থানার অন্যান্য পুলিশকর্তাদের ভালো কাজের প্রশংসনীয় সার্টিফিকেট দিয়েছেন তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্লক সভাপতি।
তাঁর বক্তব্য, পুলিশ বরঞ্চ এলাকার মাটি ও বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য ঠেকিয়েছে। রতুয়া থানার আইসি কোনরকম এই বেআইনি ব্যবসা করতে দিচ্ছে না।

রতুয়ার ব্লক সভাপতি ফজরুল হক আরও বলেন , রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকেও বিধায়ক সমরবাবু ভুল বুঝিয়েছেন। তার অনেক বয়স হয়েছে। তিনি ভুলভাল বকছেন । সুবিরবাবু এতদিন ধরে রতুয়ায় এই আইসি রয়েছেন। নাককাটি বাঁধের কাছে যে বালি এবং মাটি কাটার অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখার্জী সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এইভাবে কোন অফিসারের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া যায় না। এক্ষেত্রে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। আসলে পুলিশ মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে দিয়েছে। আর তাতেই বিধায়ক টাকা পাচ্ছেন না। আর তাতেই তিনি এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।

এদিকে রতুয়া তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ফজরুল হকের এই বক্তব্য শুনে বেজায় চটেছেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখার্জি। তিনি বলেন , আমি একটাও মিথ্যা কথা বলি নি। যা চোখের সামনে দেখেছি এবং যা ঘটছে, তাই বলেছি। আসলে পুলিশের সাথে ব্লক সভাপতি ও একজোট রয়েছে। তাই এখন রতুয়ার আইসিকে বাঁচাতে ব্লক সভাপতি এগিয়ে এসেছেন। পুলিশ প্রশাসনকে বলেছি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার।

Leave A Reply

Your email address will not be published.