এবারে কাঠগড়ায় খোদ মানুষের ধর্ম! ফের শিরোনামে কর্ণাটক!

0 97

- Advertisement -

ওয়েব ডেস্ক, ৭ ই এপ্রিল :ধর্মের সংজ্ঞা অনুযায়ী ধর্ম হল সেই সত্ত্বা যা মানুষকে ধারণ করে। কিন্তু বারবার চারদিকে ফুটে উঠছে ধর্মের নামে টানাটানি। তারই শীর্ষে ভারতের কর্ণাটক রাজ্য। কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্কে কেঁপে উঠছিল সারা দেশ। নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া প্রভাব ফেলেছিল সমগ্র ইন্টারনেট দুনিয়ায়। হিজাব বিতর্কের পর এবার নিশানায় মসজিদের মাইকের আওয়াজ।দিন দুয়েক আগেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠন গুলি দাবি তোলে যে মসজিদে মাইক বাজানো বন্ধ করতে হবে। এবার সেই পথেই আর এক পদক্ষেপ নিল পুলিশ। বুধবার কর্ণাটক পুলিশ মসজিদ গুলিকে নোটিশ পাঠিয়ে জানিয়ে দিল যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নির্দিষ্ট ডেসিবেলের মধ্যেই বাজাতে হবে লাউডস্পিকার।

- Advertisement -

এর আগেও হিজাব এবং হালাল মাংস বিক্রি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল সেই রাজ্যের হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। এবারে তাদের বক্তব্য যে যদি তাদের দাবি না মানা হয় তাহলে তারা প্রতিদিন ভোরবেলা উচ্চস্বরে ভজন গাইতে শুরু করবে তারা। ওই সংগঠনের তরফে একটি ভিডিওতে বলা হয়, ‘রাত ১০ টা থেকে সকাল ৬টা অবধি মাইক বাজানো যাবে না। এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে। কিন্তু তা মানা হয় না মোটেই।’

এই ব্যাপারে কর্ণাটকের মন্ত্রী কে এস এসাইয়াওরাপা জানিয়েছেন, ‘মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা হচ্ছে। মসজিদের মাইকের আওয়াজে ছাত্রছাত্রী এবং অসুস্থ মানুষদের সত্যিই খুব অসুবিধা হয়।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে এই ইস্যুতেই সরব হয়েছিলেন কর্ণাটকেরই পড়শী রাজ্য মহারাষ্ট্রের নব নির্মান সেনার সভাপতি রাজ ঠাকরে। গত শনিবার শিবাজি পার্কের একটি সমাবেশে রাজ ঠাকরে বলেন, ”মসজিদে এত উচ্চস্বরে লাউড স্পিকার বাজানো হয় কেন? যখন ইসলাম ধর্মের যাত্রা শুরু হয়েছিল তখন কি লাউডস্পিকার ছিল? এটা বন্ধ না হলে মসজিদের বাইরে অতি উচ্চ স্বরে হনুমান চালিসা বাজানোর ব্যবস্থা করব আমি।’ দেশে ছড়ানো এই বিতর্ক কোন পথে নিয়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের মানসিক চিন্তাধারাকে? ভবিষ্যতে এই চিন্তাই কোনো সামাজিক মহামারীর কারণ হবে না তো? এমনটাই প্রশ্ন সমাজের একাংশের।

Leave A Reply

Your email address will not be published.