অশনি সঙ্কেতকে প্রতিরোধ করতে রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ, বাড়লো রাজ্যের আপদকালীন তহবিল

0 61

- Advertisement -

ওয়েব নিউজ,১১মে: শেষ কয়েক বছর ধরে বাংলা বারবার মুখোমুখি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের। আয়লা,আমফান,ইয়াস,ফনী হুদবুদএর মত ঘূর্ণিঝড় বারবার বিপর্যস্ত করেছে বাংলা ও বাঙালিকে। প্রতি বছর এমন ঝড়ে নাস্তানাবুদ রাজ্য থেকে রাজ্য সরকার। আপদকালীন পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীর পাশে দাঁড়াতে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

- Advertisement -

বারংবার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাজ্যবাসী। তহবিলের অর্থতেও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে টান পড়ে। তাই আপদকালীন তহবিলের রাশি মূল্য একবারে ১০ গুণ বৃদ্ধি করল রাজ্য সরকার। আগে এই তহবিলের জন্য বরাদ্দ ছিল ২০ কোটি টাকা। এখন তা বেড়ে হলো ২০০ কোটি।

নবান্ন সূত্রে খবর, জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার ক্ষেত্রে অর্থ ও খরচের দরকার হয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের ন্যূনতম চাহিদা দ্রুত সমাধান করতে হয়। সরকারি নিয়মে এই টাকা বরাদ্দ থেকে খরচ করতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আপৎকালীন তহবিলের ২০ কোটি থেকে ২০০ কোটি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে এখন আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুততার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা যাবে।

প্রসঙ্গত অশনির সংকেত যতই ঘনীভূত হচ্ছে, ততই শক্তিশালী করা হচ্ছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ঘূর্ণি ঝড়ের গতিপথ হিসাবে আবহাওয়া দপ্তর থেকে খবর পাওয়া গেছে যে সমুদ্র উপকূলের রাজ্যগুলিতে আছে পড়তে পারে। আমলাদের সঙ্গে বৈঠকের মুখ্যমন্ত্রী এই ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী থাকার কথা বলেছেন। আর এক্ষেত্রে তিনি ২০ কোটি থেকে আপৎকালীন ব্যবস্থার তহবিলকে বাড়িয়ে ২০০কোটি করে দিয়েছেন। গত ১১ ই এপ্রিল অর্থ দপ্তর আপৎকালীন তহবিলের উর্দ্ধসীমা বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আর বিধানসভায় “দি কন্টিনজেন্সি ফান্ড অফ ওয়েস্টবেঙ্গল” আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে।

উল্লেখ্য এই তহবিলের নিয়ম অনুযায়ী, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যেকোনো মূল্যে খরচ করা যায়।খরচ এর উপযুক্ত রশিদ ট্রেজারিতে জমা করতে হয়। তারপর মূল তহবিলের নির্দিষ্ট অংশ থেকে সেই টাকা বিন্যস্ত করা হয়। রাজ্য সরকার আগে এত টাকা কখনও আপৎকালীন তহবিলে জমা করেনি। কিন্তু প্রতিবছর যেভাবে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হচ্ছে রাজ্যকে, তারপরে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, এমনটাই বলছেন ওপর মহল।

Leave A Reply

Your email address will not be published.