মূল্যবৃদ্ধির বাজারেও ঈদের তোড়জোড়ে মেতেছে মুসলিম সম্প্রদায়

0 42

- Advertisement -

মালদা, ২৫ এপ্রিল : এগিয়ে আসছে ঈদ। রমজান মাস শেষের প্রহর গুনছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ। রোজার এই দিনগুলির সঙ্গে ঈদের দিনেও মুসলিম পরিবারে বিশেষ জায়গা পায় লাচ্ছা সিমাই। মূল্যবৃদ্ধির বাজার হলেও এই দুই খাদ্য থেকে পিছিয়ে আসতে রাজি নন কেউ। আর মানুষের চাহিদা বুঝে পুরাতন মালদায় খুলেছে এই দুই খাদ্য তৈরির কারখানাও। বিহারের কারিগররা সেখানে তৈরি করছেন লাচ্ছা সিমাই।

- Advertisement -

পুরাতন মালদা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের খয়রাতি পাড়ায় এমনই একটি কারখানায় এখন রাতদিন কাজ চলছে। রমজান মাস শুরুর সময় থেকেই বিহারের সহর্ষ জেলা থেকে সেখানে এসে পৌঁছেছেন কারিগররা। তাঁদেরই একজন গঙ্গেশ্বর জানান, ‘প্রায় এক মাস আগেই এখানে চলে এসেছি। লাচ্ছা তৈরি করছি। দু’বছর ধরে আমি ঈদের সময় এই শহরে লাচ্ছা বানাতে আসছি। ১১ জন শ্রমিক কারখানায় কাজ করছেন। ময়দা আর ডালডা লাচ্ছা তৈরির মূল উপকরণ। এবার দেড়শো কুইন্টাল লাচ্ছা তৈরির করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছি। এই লাচ্ছা ১১০ টাকা কেজি দরে আমরা পাইকারি বাজারে বিক্রি করছি। খুচরো বাজারে সেই লাচ্ছা ১৬০-১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে এখন লাভ খুব একটা হচ্ছে না। কিলো প্রতি এক থেকে দেড় টাকা লাভেই মাল ছেড়ে দিতে হচ্ছে। কারণ, এখন প্রতিটি উপকরণেরই দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে।’

বিহারের সহর্ষ জেলারই আরেক কারিগর মিথিলেশ কুমার বলেন, ‘লাচ্ছা তৈরি করতে ডালডা, ময়দা আর রিফাইন্ড তেলের প্রয়োজন। প্রথমে জল দিয়ে ময়দা মাখতে হয়। তারপর তাতে ডালডা মেশাতে হয়। এরপর রিফাইন্ড তেলে ভাজতে হয়। লাচ্ছা তৈরি করতে অনেকটা সময় লাগে। খাটুনিও হয় বেশ। আমরা মূলত পাইকারি বাজারে লাচ্ছা বিক্রি করি। একমাস ধরে এখানে কাজ করে যাচ্ছি। ঈদ এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে খাটুনিও বেড়েছে।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.