কোচবিহার পৌরসভার বেহাল দশা ঠিক করতে উদ্যোগী নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

0 74

- Advertisement -

কোচবিহার, ১২ এপ্রিল: অনিশ্চয়তার মধ্যে এবার আশার আলো দেখছে কোচবিহার পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা। ২০১৬ সাল থেকে বকেয়া রয়েছে কোচবিহার পৌরসভার গ্রাচুইটির প্রায় ১০ কোটি টাকা। অবসর নেওয়ার পর গ্রাচুইটির টাকার জন্য বহুবার পৌরসভার চক্কর লাগিয়েও টাকা পায়নি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা।

- Advertisement -

গ্রাচুইটির পাশাপাশি বেশ কয়েক মাস যাবত বন্ধ ছিল পেনশনারদের পেনশন। অনিয়মিত ভাবে দেওয়া হচ্ছিল অস্থায়ী কর্মীদের বেতন। কোচবিহার পৌরসভার বেহাল দশা ঠিক করতে শক্ত হাতে পৌরসভার হাল ধরলেন কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর শুরু হয়েছে বকেয়া পরিশোধের তোড়জোড়।

আজ কোচবিহার পৌরসভার চারজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর হাতে গ্রাচুইটির মোট ১৮লক্ষ টাকা তুলে দেন কোচবিহার পৌরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। একইসঙ্গে এই দিন কোচবিহার পৌরসভার বকেয়া পেনশন মিটিয়ে দেওয়া হয় বলে জানালেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। কোচবিহার পৌরসভার দায়িত্ব নেওয়ার পর অস্থায়ী কর্মীদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, পেনশনারদের তিন মাসের পেনশন বকেয়া ছিল। এর আগে দুই মাসের বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছিল। আজ এক মাসে পেনশন পরিশোধ করা হলো। একইসঙ্গে গ্র্যাচুইটির যে টাকা বাকি রয়েছে সেই টাকাও ধীরে ধীরে পরিশোধ করা হচ্ছে। প্রথম দফায় ৫ জনকে গ্রাজুয়েটির টাকা দেওয়া হয়েছে। আজ চারজনের হাতে মোট ১৮ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে অস্থায়ী কর্মীদের বকেয়া পরিশোধ করা হবে।

নাগরিক পরিষেবা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে নিকাশি নালা গুলো সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার কারণে কুড়ি মিনিটের বৃষ্টি হলেই শহরে জল জমে যেত। সেই নিকাশি নালাগুলো পরিষ্কার করার কাজ শুরু করা হয়েছে। একইসঙ্গে বেশকিছু ওয়ার্ডে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে তার জন্য পাম্প গুলি মেরামতের কাজ চলছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.