“গায়ের জ্বালা মেটাতে বাংলায় এসে শকুনের রাজনীতি করছেন অমিত শাহ” কুনাল ঘোষ

0 72

- Advertisement -

ওয়েব নিউজ,৬ মে:- গায়ের জ্বালা মেটাতে বাংলায় এসে শকুনের রাজনীতি করছেন অমিত শাহ । একবছর আগে দিল্লি থেকে আসা বিজেপির ডেলি প্যাসেঞ্জার নেতাদের প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বাংলার মানুষ। রীতিমতো ঝামা ঘষে দিয়েছিলেন এইসব নেতাদের মুখে। সেই ঝাল মেটাতেই এখন এখানে এসে নির্লজ্জ রাজনীতি করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

- Advertisement -

মানুষের রায় থেকে শিক্ষা নেননি। কাশীপুরে গিয়ে মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছেন। শুক্রবার এই ভাষাতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে এক হাত নিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ । হুগলি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এদিন চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে ডাক দেওয়া হয়েছিল এক প্রতিবাদসভার। পেট্রোপণ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

রাজ্য সফররত অমিত শাহর বিরুদ্ধে কুণাল এদিন ছিলেন আগাগোড়াই আক্রমণাত্মক। কাশীপুরে বিজেপির যুবনেতার মৃত্যু নিয়ে অমিত শাহর ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর প্রশ্ন, রাজ্য পুলিশের তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই কোন যুক্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিবিআই তদন্ত দাবি করেন? দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে বিজেপি নেতাদের কথার প্রতিধ্বনি কেন? কাশীপুরে গিয়ে কেন নির্লজ্জ রাজনীতি করলেন তিনি? তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্রের দাবি, আগে এই মৃত্যুর পুলিশি তদন্ত করতে হবে। এই প্রসঙ্গেই কুণাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনৈতিক আচরণ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন। প্রশ্ন তোলেন, নারদ মামলায় সিবিআইয়ের এফআইআরে নাম থাকা সত্ত্বেও শুভেন্দু অধিকারীকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেন অমিত শাহ? তাঁর দিকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে কুণালের মন্তব্য, এখানে এসে সিবিআই জুজু দেখানোর আগে উত্তরপ্রদেশে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে দেখুন কীভাবে খুন-ধর্ষণ হচ্ছে প্রতিদিন। সিবিআই তদন্ত করাতে হলে সেখানে করান।

কুণাল ঘোষের স্পষ্ট বক্তব্য, মৃত্যু অবশ্যই দুঃখের। কিন্তু মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। আর এটাই এখানে এসে করছেন অমিত শাহ। কিন্তু আসল ঘটনাটা হল, বিজেপিতে থাকলেও দলের প্রতি মোহভঙ্গ হয়েছিল কাশীপুরের মৃত যুবনেতার। তাই তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে জরুরি রাজ্য পুলিশের তদন্ত। কুণাল বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর সব প্রকল্প নিয়ে মানুষের কাছে যাব আমরা। একশো শতাংশ ভোট লক্ষ্য নিয়ে মানুষের সমর্থন চাইব। যাতে বিরোধীরা প্রার্থীও না খুঁজে পায়। মানুষ উন্নয়নের বাইরে যাবেন কেন? মানুষের উপর আস্থা রেখে বাড়ি বাড়ি যেতে হবে।”

Leave A Reply

Your email address will not be published.