আদিবাসী তরুণীকে অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি হুমায়ুন পত্নীর, সাথে জড়িত তৃণমূল নেতা ও পুলিশ প্রশাসন

0 98

- Advertisement -

ওয়েব নিউজ, ৯ মে: সম্প্রতি প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবিরের উপর অভিযোগ তোলে এক আদিবাসী তরুণী। অভিযোগে বলা হয় শিক্ষা দপ্তরে চাকরি দেওয়ার নাম করে তরুণীকে মন্ত্রীর বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতে বাধ্য করা হয়। ফরমাশ খাটানোর পাশাপাশি তাকে দিয়ে পোষ্য কুকুরের মলমূত্র পরিষ্কার করানো হতো। কাজের কোন বিচ্যুতি ঘটে শুনতে হত অশ্রাব্য গালিগালাজ। শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন মারাত্মক অভিযোগ এনেছিলেন ডেবরার আদিবাসী তরুণী সবিতা লায়েক।

- Advertisement -

এবার অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফের পাল্টা অভিযোগ আনলেন তরুণী তরুণের কথায় তার উপর অভিযোগ প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হচ্ছিল স্বভাবতই এবারও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন মন্ত্রী ও মন্ত্রী জায়া।

সবিতা লায়েক পশ্চিম মেদিনীপুর ডেবরা গ্রামের বাসিন্দা, শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক।অত্যন্ত কষ্ট করে পড়াশোনা করেছেন সবিতা। গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের সময় হুমায়ুন কবির কথা দেন কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের তাকে চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন। আর ভোটের পরেই সেই ব্যবস্থা করেও দেন হুমায়ুন কবির। কিন্তু পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে সেই চাকরির নাম করে মন্ত্রীর বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করানো হতো তরুণীকে দিয়ে।

এরপরই তরুণী পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু এবার তরুণী দাবি করছে, অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য হুমায়ুন পত্নী অনিন্দিতা দাস কবির এবং কিছু স্থানীয় তৃণমূল নেতারা চাপ দিচ্ছে।ছাপানো বয়ানে জোর করে সই করানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

মে মাসের ৬ তারিখ চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা জানানোর জন্য পুলিশ আসে। পুলিশের গাড়িতে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একজন তৃণমূল নেতা তরুণী ও তাঁর অভিভাবককে সাথে নিয়ে যান কোলাঘাট হোটেলে। সঙ্গে কয়েকজন নেতা ও সাধারণ পোশাকে পুলিশ কর্মী ও গিয়েছিলেন সবিতার দাবি।ওখানেই হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী অনিন্দিতা দাস,দলীয় নেতা অলোক আচার্য,প্রদীপ কর, আবু বক্স মিথ্যা ছাপানো বয়ানে সই করার জন্য তাকে জোর করতে থাকে। তরুণী এতে রাজি না হওয়ায় তাকে লকআপে ঢুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। যদিও সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করে মন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেছেন, “আমার এক মিনিট লাগবে প্রমাণ করতে যে সব অভিযোগ মিথ্যা।” এদিকে পুলিশ সুপার পুলিশ জড়িত থাকতে পারে না বলে দাবি করছেন এবং তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.