কোচবিহারে পুত্র ও পুত্রবধূর অত্যাচারের কবল থেকে বাঁচতে বৃদ্ধা থানার দ্বারস্থ, এফআই আর দায়ের করলেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে

0 137

- Advertisement -

কোচবিহার,১৬ এপ্রিল: পুত্র ও পুত্রবধূর অত্যাচার থেকে বাঁচতে তুফান গঞ্জ থানার দ্বারস্থ প্রায় নব্বই ছুঁই ছুঁই বৃদ্ধার। দিলেন অভিযোগ জমা।

- Advertisement -

গ্রাম বাংলায় একটা কথা প্রচলিত আছে মোর চৌদ্দ পুত মোর কিসের দুঃখ, অর্থাৎ আমার চোদ্দটা পুত্র তাই আমার কোনও দুঃখ নেই। একটা সময় এই প্রবাদ চললেও এখন সেটা উল্টপুরান হয়ে গেছে। পুত্র সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে বাবা মা তেমনি ধলপল ২ জিপি র ছাটরাম পুরের মৃত হরিচরণ দাস ও দ্রপদি দাসের সংসারে চার পুত্র সন্তান আসায় ভীষণ খুশি ছিলেন হয়তো আর দুঃখ থাকবে না। ইতি মধ্যে স্বামী মারা যান এবং ছেলেরাও বিয়ে করে যে যার মত হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে দ্রপদী দেবী ছোটো ছেলে গোষ্ঠ দাশের সাথেই রয়েছেন । এমন কি ঐ মহিলা বার্ধক্য ভাতা পান সেটা ছেলে তুলে নিয়ে নেন। এমতাবস্থায় কয়েক মাস যাবত ছোট ছেলে , ছেলের বৌ রিনা দাস অকথ্য অত্যাচার শুরু করে। বিশেষ করে ছেলের বৌ এর অত্যাচার সীমাহীন। বৃদ্ধার কথায় প্রতিদিন মেরে হাত পা ফাটিয়ে দিতো, গলা টিপে ধরে বস্তায় ভরতো। যারা বাঁচাতে যেতো তাদের নামে কেস করার হুমকি দেয়। একবার বৃদ্ধাকে মেরে মাথা ফাটিয়েও দেয়। কয়েকবার এই নিয়ে বাকি ছেলেরা ছোট ভাই কে শাসন করতো তবুও কিছুই হয় না । ইদানিং অত্যাচারের মাত্রা বেরে যায় এবং একমাএ শোবার ঘরে তালা মেরে বের করে দেয় ঐ পুত্রবধূ বলে অভিযোগ। বেশ কয়েক দিন ধরে মানুষের বাড়িতেই রয়েছেন বলে জানা যায়। বাধ্য হয়ে লাঠিতে ভর করে থানায় হাজির বৃদ্ধা। বৃদ্ধাকে ও ভাবে থানায় আসতে দেখে সকলেই হতবাক। থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার মন দিয়ে বৃদ্ধার অভিযোগ শুনে তদন্ত শুরু করে দিয়েছেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.