আমাকে ল্যাং মারলো, মিহিরকে ল্যাং মেরে দল থেকে তাড়িয়ে দিল! : নাম না করে পার্থকে নিশানা কোচবিহার পৌরপিতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

0 223

- Advertisement -

ওয়েব নিউজ,২ মে: কোচবিহারে রবি – পার্থ তরজা এখন খবরের শিরোনামে। এর আগে পার্থকে ‘ কই মাছ ‘ বলে কটাক্ষ করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কোচবিহারের পৌরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এবার যেন সেই তীরকে তিনি আরো শানিয়ে এনেছেন। গতকাল মে – দিবসে আইএনটিইউসির সমাবেশে নাম না করে তীর দাগলেন পার্থ প্রতিম রায়ের দিকে।

- Advertisement -

এই সমাবেশে রবিবাবু জানান, একটা লোক আমার হাত ধরে উঠে এসে আমাকে ল্যাং মারলো, মিহির গোস্বামীকে দল থেকে বহিষ্কার করলো। এতেই ক্ষান্ত হন নি। বিনয় বর্মন কে রাস্তা করে বিনয়কে নামিয়ে ঠাকুর নিজেই বসলেন। গিরীন্দ্রনাথ বাবুর মত এক বয়স্ক সরল মনের মানুষের ফিতে কখন কেটে দিল আমরা আজও বুঝতে পারলাম না। ওর জন্যই অনেকে দল পরিত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ ঘোষ আরোও বলেন, ‘আবার দেখি ঠাকুর আসনে বসছে। বসেই বলছে আটিয়া কলা দাও। দই চিড়া দাও। সন্দেশ দাও। ঠাকুর যদি সন্তুষ্ট না হয় তবে কোনও পদেই থাকতে পারবে না। বুথ সভাপতিও থাকতে পারবে না। গুরুত্ব থাকবে না। যেমন আমার অবস্থা হয়েছে।’

যদিও জেলা সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় বলেন, আমি দলের এক সাধারণ কর্মী, আমি এতখানি শক্তিশালী নই। আমি সবাইকে নিয়ে চলতে ভালোবাসি, কেউই আমার কাছে ছোট নয়, সবাই আমার চোখে সমান।

প্রসঙ্গত, অতীত ঘাটলে দেখা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঘোষের হাত ধরেই তৃণমূল দলে প্রবেশ পার্থ প্রতিম রায়ের। এক কথায় এক সময়ের গুরু শিষ্যই এখন যেন অহি নকুল হয়ে দাঁড়িয়েছে একে ওপরের। প্রতিনিয়ত একে অপরকে এই ভাবে কথার জালে বিদ্ধ করে চলেছেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও পার্থ প্রতিম রায়। কোচবিহার রাজনীতি মহল তৃণমূল নেতাদের এই বাদানুবাদ নিয়ে রীতিমত সরগরম।

Leave A Reply

Your email address will not be published.