ভুঁয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে বাবা-ছেলে সটান হাজির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপালের দপ্তরে! তারপর যা হলো অবাক করবে আপনাকে….

মেডিকেল ফাঁড়ির পুলিশ প্রিন্সিপালের দপ্তরে এসে বিস্তারিত দেখে গ্রেপ্তার করে বাবা ও ছেলেকে।

0 65

- Advertisement -

শিলিগুড়ি, ২২ সেপ্টেম্বর:- রাজ্যে যখন এসএসসি দুর্নীতি নিয়ে সরগরম। ঠিক সেই সময় টাকা দিয়ে ভুঁয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গ্রুপ ডি পদের চাকরি নিতে হাজির উত্তর দিনাজপুর জেলার বাবা এবং ছেলে।

- Advertisement -

বুধবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘী এলাকার বাসিন্দা শম্ভু দত্ত এবং তার ছেলে শুভঙ্কর দত্ত হাজির হন উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। নিয়োগ পত্র নিয়ে সোজা পৌঁছে যান মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপালের দপ্তরে। প্রিন্সিপাল দপ্তরে পৌঁছে বাবা শম্ভু দত্ত ছেলে শুভঙ্কর দত্ত ভুঁয়ো
নিয়োগ পত্র তুলে দেন প্রিন্সিপালের হাতে। এই নিয়োগ পত্র দেখামাত্রই ভুঁয়ো তা বুঝতে আর অসুবিধে হয়নি মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের।

বাবা ও ছেলেকে বসিয়ে রেখে মেডিকেল মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের মাটিগাড়া থানার অন্তর্গত মেডিকেল ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দেয়। মেডিকেল ফাঁড়ির পুলিশ প্রিন্সিপালের দপ্তরে এসে বিস্তারিত দেখে গ্রেপ্তার করে বাবা ও ছেলেকে।

পরবর্তীতে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করায় বাবা ও ছেলে স্বীকার করে নেয় তারা চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে এই নিয়োগ পত্র দেবে বলে তাদের জানিয়েছিল। উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘী এলাকার সঞ্জয় কুমার নামে এক ব্যক্তি এই কথা বলেছিলেন। এই ঘটনা জানতে পেরেই শিলিগুড়ি মেডিকেল কলেজেও হাসপাতালে ফাঁড়ির পুলিশ রওনা হয় উত্তর দিনাজপুর জেলার করণ দীঘিতে। এবং গ্রেপ্তার করা হয় সঞ্জয় কুমার সরকার কে। সঞ্জয় সরকারকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর জানতে পারে বাগডোগরা এলাকার আরও দুই ব্যক্তির নাম।

তারপর বাগডোগরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যেই বাবলু রায় নামে আরো একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় মেডিকেল ফাঁড়ির পুলিশ। তবে একজন পালাতে সক্ষম হন তিনি বাগডোগরা বাসিন্দা। পাশাপাশি বেশ কিছু নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। সঞ্জয় কুমার সরকারের হেফাজত থেকে পলাতক অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.