টেন্ডার বিলি অনিয়মের অভিযোগ হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে

0 73

- Advertisement -

মালদা, ১১ এপ্রিল:  স্কুল ঘর সংস্কারের জন্য টেন্ডার বিলিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে হরিশ্চন্দ্রপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কোয়েল দাসের বিরুদ্ধে। তবে শুধু কোয়েল দাসই নয়। পঞ্চয়েত সমিতির কয়েকজন সদস্য’র যোগসাজশে ওই বেনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর ওই অভিযোগ তুলেছেন পঞ্চায়েত সমিতিরই এক তৃণমূল সদস্যা সুজাতা সাহা। যদিও বিরোধী দলনেত্রী হিসেবে প্রশাসনের সর্বস্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন ওই সদস্যা সুজাতা সাহা। কেন না কংগ্রেস থেকে জয়ী হয়ে বিরোধী দলনেত্রী হন তিনি। কিন্তু পরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। 

- Advertisement -

স্থানীয় ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের আটটি প্রাথমিক স্কুল সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবন সংস্কারের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক কাজকর্মও রয়েছে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৫ লক্ষ টাকা।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা তৃণমূলের সুজাতা সাহার অভিযোগ, টেন্ডার দেওয়ার আগে নিয়ম মেনে শিক্ষা স্থানীয় সমিতির সভা ডাকার কথা। কিন্তু তা করা হয়নি। এছাড়া টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো বিষয়টি জানানোর কথা বিরোধী দলনেত্রীকেও। কেননা সুজাতা শাসকদলে নাম লেখালেও খাতায় কলমে তিনি এখনও বিরোধী দলনেত্রী। অভিযোগ সেসব কিছুই করা হয়নি। তার অভিযোগ, গোপনে টেন্ডার করা হয়েছে।  পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, বিডিও ও কয়েকজন সদস্য চক্রান্ত করে সরকারি টাকা নয়ছয় করতে টেন্ডার বিলিতে অনিয়ম করা হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। 

আর ওই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দলেরই একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে বন্যাত্রাণ বিলিকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ফেরার থাকার পর জামিন পেয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কোয়েল দাস। 

 হরিশ্চন্দ্রপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কোয়েল দাস বলেন, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। সুজাতা সাহা যে ভাবে অভিযোগ করছেন তাতে ওকে বিরোধী দলনেত্রী মনে হচ্ছে। উনি তৃণমূলে রয়েছেন নাকি কংগ্রেসে তা আগে জানাক।

 বিজেপি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রুপেশ আগারওয়াল জানিয়েছেন, এর আগেও বন্যার ত্রাণ কেলেঙ্কারি নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতি খবরের শিরোনামে এসেছিল। সেখানেও সুজাতা সাহা অভিযোগ করেছিল তার সই জাল করা হয়েছে। আবার তিনি পঞ্চায়েত সমিতির স্কুল বিল্ডিং নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া করণ নিয়ে অভিযোগ তুললেন। রাজ্য-জুড়ে দুর্নীতির খেলা চলছে। দলের লোকেরাই দলের বিরুদ্ধে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ আনছেন। আগামী নির্বাচনে মানুষ জবাব দেবে।

হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বিডিও অনির্বাণ বসু কোনো মন্তব্য করেন নি।চাঁচলের মহকুমা শাসক কল্লোল রায় বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ খতিয়ে গোটা বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.