‘নদিয়ায় বিজেপি,দিল্লিতে তৃণমূল’ জাহাঙ্গীরপু্রীতে এবার টিম ‘মমতা’

0 59

- Advertisement -

ওয়েব নিউজ, ২২এপ্রিল:-১৬ এপ্রিল দিল্লীর জাহাঙ্গীরপুরী এলাকায় যে হিংসা হয়েছিল তা তদন্ত করতে তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল শুক্রবার কলকাতা ছেড়েছে। এই দলে চার নারী সংসদ সদস্যও রয়েছেন। এই দলটি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে। বিশেষ বিষয় হল নদিয়া জেলার হাঁসখালি এলাকায় এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের জন্য একটি দলও পাঠিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি।

 

- Advertisement -

তৃণমূলের এই দলে রয়েছেন তিন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় ও অপরূপ পোদ্দার এবং প্রাক্তন সাংসদ অর্পিতা ঘোষের নাম। আশা করা হচ্ছে, দলটি জাহাঙ্গীরপুরীতে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী ব্যানার্জিকে জানাবে। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। “আমরা জাহাঙ্গীরপুরীতে সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে চার সদস্যের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল পাঠাচ্ছি। আমি সেখানে নজরদারির জন্য থাকব, তবে শুধু নারী সংসদ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। আমরা জানতে পেরেছি যে এলাকায় অনেক লোকের অনুমতি নেই। আমরা দেখতে চাই কর্তৃপক্ষ নারী দলকে অনুমতি দেবে কিনা।

 

হাঁসখালীতে নির্যাতিতার দাহ করেন অভিযুক্তরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পৌঁছেছে বিজেপির দল। এর আগেও বীরভূম গণহত্যার তদন্তে দল পাঠিয়েছিল বিজেপি। সেই সময় তৃণমূল নেতাকে হত্যার পর ৯ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়। উভয় দলই তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে দলের জাতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডার(জেপি নাড্ডা) কাছে।

 

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট উত্তর দিল্লী মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনকে জাহাঙ্গীরপুরীতে কোনও সম্পত্তি ভাঙতে বাধা দিয়েছে। ব্যানার্জি বলেন, “টিএমসি জোরপূর্বক লোকদের উচ্ছেদের বিরুদ্ধে। এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে কোনো নোটিশ ছাড়াই লোকজনকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এটা নিন্দনীয়।’ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অজয় ​​মাকেন, দিল্লী কংগ্রেস প্রধান চৌধুরী অনিল কুমার এবং অন্যান্য নেতারা জাহাঙ্গীরপুরীতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার তিনি এই কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন। কংগ্রেস নেতারা বলছেন, তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।

এখানে, বিজেপি টিএমসি তৎসহ ধর্ষণ ও খুনের মামলায় রাজ্য পুলিশকে কটাক্ষ করেছে । বিজেপির জাতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “দিল্লিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট যোগ্য লোক রয়েছে। ঘটনার পরপরই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। পশ্চিমবঙ্গে আমরা কবে এমন পদক্ষেপ দেখতে পাব? ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সমাজবিরোধীদের কবে গ্রেপ্তার করা হবে? সরকারের কি সেরকম ইচ্ছাশক্তি আছে? এই প্রশ্নের উত্তর আগে দেওয়া উচিত। বিশেষ ব্যাপার হল গত কয়েক সপ্তাহে ধর্ষণ ও দুর্নীতির মামলায় সিবিআই(CBI)-কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

Leave A Reply

Your email address will not be published.