রাজ্যে তাপমাত্রার পারদ চড়তেই বিয়ারের চাহিদা তুঙ্গে, পর্যাপ্ত উৎপাদন না থাকায় কলোবাজারির আশঙ্খা :

0 57

- Advertisement -

ওয়েব ডেস্ক, ১৪ এপ্রিল :- চৈত্রের শেষবেলায় কলকাতায় তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলায় জেলায় আরও বেশি। আর এক দিন পরে বৈশাখ শুরু। আবহাওয়া দফতর কোনও আশার বাণী শোনাচ্ছে না। উল্টে বলছে, বৈশাখে গরম আরও বাড়বে। কালবৈশাখী আসবে কি না, তারও ঠিক নেই। উপায় একটাই ছিল। বিয়ার সেবন এবং গলা ও শরীর ঠান্ডা রাখা।

 

 

 

- Advertisement -

কিন্তু সে বিয়ারেও আশঙ্খা কারণ, রাজ্য জুড়ে বিয়ারের আকাল দেখা দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যতটা চাহিদা, ততটা জোগান নেই। আর সেটা সামাল দিতেই বিয়ার সরবরাহের ক্ষেত্রে রেশন চালু করল রাজ্য আবগারি দফতর। ঠিক হয়েছে এক বছর আগে ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে যে দোকান থেকে যত পরিমাণে বিয়ার বিক্রি হয়েছিল, এখন ঠিক ততটাই সরবরাহ হবে। এর একটা নীতিও ঠিক করেছে আবগারি দফতর।

 

 

 

চাহিদার তুলনায় জোগান কম হওয়ায় বিয়ারের কালোবাজারি শুরু হতে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়। আবগারি দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, মার্চ মাস থেকেই সমস্যা শুরু হয়েছিল। যে সব বিক্রেতাদের আর্থিক ক্ষমতা বেশি, তারা অনলাইনে একসঙ্গে অনেক বিয়ার তুলে নিচ্ছিলেন। এর ফলে অন্য দোকানদারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছিল। উমাশঙ্কর বলেন, ”আমরা সবাইকে সমান হিসেবে দেখার জন্যই একটা ব্যবস্থা তৈরি করেছি। ঠিক হয়েছে ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে যে দোকান থেকে যতটা পরিমাণে বিয়ার বিক্রি হয়েছিল, তার উপরেই নির্ভর করবে এই বছরের সরবরাহ।”

 

 

 

 

আবগারি দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন বিয়ার কত কেস নেবেন সেটা সংশ্লিষ্ট দোকান বেছে নিতে পারবে। কত দিন চলবে এই ব্যবস্থা? জানা গিয়েছে, যত দিন না পর্যাপ্ত উত্‍পাদন না হচ্ছে তত দিন এই ব্যবস্থা চলতে থাকবে। কিন্তু উত্‍পাদন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদাও বাড়তে থাকলে গোটা গরমে চালুই থাকতে পারে ‘রেশন’ ব্যবস্থা। তবে এই ব্যবস্থা নিয়েও বিক্রেতাদের অভিযোগ থেকেই যাচ্ছে। এক মদ বিক্রেতার বক্তব্য, ”আবগারি দফতর বিয়ার সরবরাহে রেশন করলেও সুরাপ্রেমীরা তো আর সেটা মানবেন না। কেউ কেউ বেশি করে তুলে নেবেন আর অনেককে ফিরিয়ে দিতে হবে। পারদ চড়লে তেষ্টাও বাড়বে। আর গরমে বিয়ার দিতে না পারলে ক্রেতা হারানোর ক্ষতিটা তো আমাদেরই।”

Leave A Reply

Your email address will not be published.