রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধ : নাভিঃশ্বাস উঠছে ভারতের মধ্যবিত্তের

0 18

- Advertisement -

ওয়েব ডেস্ক, ২৮শে মার্চ : প্রায় ১ মাস ধরে চলছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ, রাশিয়ার একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের কিয়েভ, খারকিভ, মারিউপোলের মতো শহর গুলো। কিন্তু এই যুদ্ধের কারণে লাগাতার মূল্যবৃদ্ধি জেরে নাজেহাল সাধারণ মধ্যবিত্ত ভারতীয়।

- Advertisement -

রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধে বিপাকে পড়েছে ভারতীয় অর্থনীতি। যুদ্ধের কারণে ক্রমশ বেড়ে চলেছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম।দেখা যাচ্ছে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান নিম্নগামী; তার সাথে যুক্ত হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ধস।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে গত এক সপ্তাহে বেড়েছে পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম, ফলে সব ক্ষেত্রেই মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত সুস্পষ্ট। শোনা যাচ্ছে সস্তায় রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তীর কিনেছে ভারত, তবে সেই তেল আসবে মে মাস নাগাদ। তার আগে পর্যন্ত দেশে মজুদ তেল দিয়ে কতটা চাহিদা কতটা মেটানো যাবে তাতে প্রশ্ন একটা থেকেই যাচ্ছে!

ইউক্রেন সানফ্লাওয়ার তেল উৎপাদনকারী দেশ। যুদ্ধের কারনে এই ক্ষেত্রেও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে ।

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে আমদানি রপ্তানির বাণিজ্য ক্ষেত্রেও বড়োসড়ো রকমফের দেখা গেছে। ভারতের গাজিয়াবাদে ৮০ থেকে ১০০ টা কারখানা রয়েছে যেখানে রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে আমদানি রপ্তানির কাজ হয়। এই দুই দেশ গাজিয়াবাদ থেকে কৃষিজাত সামগ্রী ও কাপড় নেয় অপরদিকে ভারতে পেট্রোলিয়াম পদার্থ ও রাসায়নিক বস্তু আমদানি হয়। সেই ইন্ডাস্ট্রিতে যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় 100 কোটি টাকার লোকসানের খবর জানা গেছে।

মার্কিন ডলার বিপরীতে কমছে রুপির দাম। আজ সকালে ১ ডলারের পরিবর্তে পাওয়া গেছে ৭৬.৩১ টাকা। আগে ছিল 65 রুপি। আমদানি বাজারে রুপির মান কমে যাওয়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অর্থনৈতিক মহলকে তারমধ্যে চিন্তায় ফেলেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ধস। গত দুই সপ্তাহে রিজার্ভ কমেছে ১১০০ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা) । আচমকা এই ধস রীতিমতো আতঙ্কিত করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুলিকে।

মূল্যবৃদ্ধি রুপির দর হ্রাস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ধস তিন কারণে শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় বোর্ড মিটিং ডাকা হয়। যুদ্ধের কারণে পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধি এই মিটিং এর মুখ্য আলোচ্য বিষয় ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জানানো হয়, এই অবস্থা থাকলে মুদ্রাস্ফীতির হার ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে যার ফলে দেশের পাইকারি ও খুচরা পণ্যে বিপুল প্রভাব পড়বে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.